দুদকের নিজস্ব প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপন করে এর আর্থিক, প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং একাডেমির মাধ্যমে সকল শ্রেণির কর্মকর্তাকে নিয়মিত বিরতিতে বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। View Details
ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের লোকবল ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একে দুদকের বিদ্যমান অনুবিভাগসমূহের প্রভাব থেকে মুক্ত করে সরাসরি চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা করতে হবে। View Details
দুদকের সার্বিক কার্যক্রম বিশেষত অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, তদন্ত, গোপন অনুসন্ধান ও প্রসিকিউশন সংক্রান্ত কার্যাদি এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশনের আওতায় আনতে হবে। View Details
আইনে উল্লিখিত স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট গঠনের জন্য অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে কিছুসংখ্যক স্থায়ী প্রসিকিউটর (১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ) নিয়োগের মাধ্যমে আইনের আংশিক বাস্তবায়ন শুরু করা যায় এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ চুক্তিভিত্তিক আইনজীবীর পদ স্থায়ী প্রসিকিউটর দ্বারা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ৫-১০ বছরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩৩(১) পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। View Details
মহাপরিচালক, পরিচালক ও উপপরিচালক- এই প্রতিটি স্তরে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পদের নিয়োগ প্রেষণে বদলির মাধ্যমে হতে পারে। তবে তদন্ত, প্রসিকিউশন বা বিচারের স্বার্থে বিচারকর্ম বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রেষণে আসা কর্মকর্তারা এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। View Details
মহাপরিচালক ও পরিচালক পদসমূহের (প্রেষণে বদলির মাধ্যমে নিযুক্ত মহাপরিচালক ও পরিচালক ব্যতীত) সকল নিয়োগ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ও উন্মুক্ত-প্রক্রিয়ায় হতে হবে। তবে বিজ্ঞাপিত যোগ্যতার মানদন্ড পূরণকারী দুদকের অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের জন্য মহাপরিচালক পদের ৬০ শতাংশ ও পরিচালক পদের ৭৫ শতাংশ সংরক্ষিত রাখতে হবে। View Details
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ও উন্মুক্ত-প্রক্রিয়ায় সচিব নিয়োগের বিধান করতে হবে। তবে সরকারি চাকুরি নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা বিজ্ঞাপিত পদের জন্য যোগ্য বিবেচিত হলে, মাতৃসংস্থা থেকে ছুটি সাপেক্ষে তিনি দুদকের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন। View Details
দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সক্ষমতাসহ দুদকের জেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। View Details
দুদকের মহাপরিচালকের সংখ্যা ৮ থেকে ১২ তে উন্নীত করে তাদের অধীনে নিম্নোক্ত ১২টি অনুবিভাগ গঠন করা উচিত, যথা- (১) প্রশাসন, অর্থ ও মানবসম্পদ (২) প্রতিরোধ ও গণযোগাযোগ (৩) তথ্য প্রযুক্তি (৪) প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন (৫) লিগ্যাল ও প্রসিকিউশন (৬) তদন্ত-১ (৭) তদন্ত-২, (৮) বিশেষ তদন্ত (৯) মানিলন্ডারিং (১০) গোপন অনুসন্ধান-১ (১১) গোপন অনুসন্ধান-২ এবং (১২) অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা। View Details
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩০৯ সংশোধনপূর্বক এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, দুদক কর্তৃক চাহিত কোনো তথ্যাদি বা দলিলাদির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য হবে না। View Details