দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সক্ষমতাসহ দুদকের জেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। View Details
দুদকের মহাপরিচালকের সংখ্যা ৮ থেকে ১২ তে উন্নীত করে তাদের অধীনে নিম্নোক্ত ১২টি অনুবিভাগ গঠন করা উচিত, যথা- (১) প্রশাসন, অর্থ ও মানবসম্পদ (২) প্রতিরোধ ও গণযোগাযোগ (৩) তথ্য প্রযুক্তি (৪) প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন (৫) লিগ্যাল ও প্রসিকিউশন (৬) তদন্ত-১ (৭) তদন্ত-২, (৮) বিশেষ তদন্ত (৯) মানিলন্ডারিং (১০) গোপন অনুসন্ধান-১ (১১) গোপন অনুসন্ধান-২ এবং (১২) অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা। View Details
দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের ক্ষেত্রে Plea bargaining ব্যবস্থার সম্ভাব্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক ফলাফল নিবিড় পর্যালোচনা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত-গ্রহণ করতে হবে। View Details
দুদক কর্তৃক একটি Prosecution Policy প্রণয়ন করতে হবে। এর মাধ্যমে অপরাধের মাত্রা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় তফসিলভুক্ত অপরাধসমূহ কোন কোন ক্ষেত্রে দুদক কর্তৃক তদন্তযোগ্য হবে, তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে এবং অপরাপর ক্ষেত্রে দুদক অভিযোগসমূহ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করবে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ সংশোধনপূর্বক পুলিশকে কমিশন কর্তৃক প্রেরিত অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করতে হবে। View Details
দুদকের তফসিলভুক্ত প্রতিটি অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্ত-পূর্ব আবশ্যিক অনুসন্ধানের ব্যবস্থা বাতিল করে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • লিখিতভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য (information) প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা দায়েরপূর্বক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে হবে; • অপরাধ সংঘটনের ব্যাপারে কোনো বার্তা (message) প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কিংবা অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য লিখিতভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে প্রাপ্ত না হলে, উক্ত তথ্য বা বার্তার পুরুত্ব বিবেচনায় দুদক গোপন অনুসন্ধান (undercover inquiry) পরিচালনা করতে পারবে। View Details
যাচাই-বাছাই কমিটি (যাবাক)-এর অধিকতর স্বচ্ছতার স্বার্থে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৫(৪) প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়মিত বিরতিতে (সম্ভব হলে, প্রতি মাসে ন্যূনতম দুই বার) যাবাকসমূহ পুনর্গঠন করা এবং একই ব্যক্তি যেন একাদিক্রমে দীর্ঘসময় যাবাকে দায়িত্ব পালন না করেন তা নিশ্চিত করা; এবং • যাবাকের তিন সদস্যের মধ্যে একের অধিক প্রেষণে নিযুক্ত কর্মকর্তা না রাখা। View Details
সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দুদকে অভিযোগ দায়ের করলে, যত দ্রুত সম্ভব দুদক অভিযোগকারীকে অভিযোগের ওপর গৃহীত ব্যবস্থা (অনুসন্ধান/তদন্ত/নিষ্পত্তি), কারণসহ, লিখিতভাবে অবহিত করবে মর্মে আইনি বিধান করতে হবে। View Details
দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানো ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • দুদকের জেলা বা বিভাগীয় কার্যালয়ের যাবাক কর্তৃক প্রদত্ত সুপারিশ পুনরায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের যাবাক কর্তৃক যাচাই-বাছাই না করা; • দুদক কর্তৃক নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচের অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে জেলা বা বিভাগীয় কার্যালয়কে অভিযোগ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া। View Details
ফৌজদারি মানহানির সব আইন, যেমন: ১৮৬০ সালের বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০, ৫০১ এবং ৫০২ ধারা এবং ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৯ ধারা বাতিল করা উচিত। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের মানহানি সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনের ওপর প্রদান করার ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৯৯ক এবং ৯৯খ ধারায় সরকারকে সংবাদপত্র বাজেয়াপ্ত করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) পরিপন্থি। অতএব তা বাতিল করা উচিত। View Details
সব ধরনের গণমাধ্যমকে একই তদারকি বা নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে প্রেস কাউন্সিল ও প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশনের পরিবর্তে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আয় থেকে নির্ধারিত হারে চাঁদা নির্ধারণের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ের সংস্থান করতে পারে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন যেসব দায়িত্ব পালন করবে তার মধ্য আছে: ক. প্রকাশক ও সম্পাদকের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ যাতে ফৌজদারি অপরাধে দন্ডিত এবং ঋণখেলাপিরা গণমাধ্যমে মালিক/সম্পাদক না হতে পারে। খ. সাংবাদিকতার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ গ. সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা গণমাধ্যম কমিশনে নিবন্ধিত হবেন এবং কমিশন তাদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করবে। ঘ. সাংবাদিকদের জন্য একটি আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করবে ও তার প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। ঙ. সম্প্রচার মাধ্যম (টিভি ও রেডিও) এবং অনলাইন পোর্টালের লাইসেন্স প্রদানের সুপারিশ ও তার শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। চ. ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর অভিযোগের প্রতিকার। এটি সম্ভব হলে সংবাদমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং গণমাধ্যম মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে। View Details