বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
নেতৃত্ব নিয়োগ এবং স্বচ্ছতা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন রিপোর্টে বর্ণিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 02-May-26
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আইনগত কার্যকারিতা হারায়, কারণ এটি ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি।
কমিটির নাম “বাছাই কমিটি” হিসেবেই অপরিবর্তিত ছিল; তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর সংশোধনের মাধ্যমে এই সংস্কার প্রস্তাবটি আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
মতামত
-
তিনজন সদস্য, যারা বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিশেষ সংসদীয় কমিটির সদস্য, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান, এবং জি এম নজরুল ইসলাম, দুদক অধ্যাদেশ, সংক্রান্ত সুপারিশের বিষয়ে ভিন্নমত (note of dissent) প্রদান করেছেন। তাদের ভিন্নমতে তারা অধ্যাদেশটির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং কোনো সংশোধন ছাড়া এটিকে বিল হিসেবে পাস করার দাবি জানিয়েছেন। এই প্রস্তাবটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের শক্তিশালী সমর্থন ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন হবে।
যেমনটি নিম্নলিখিত সংশোধিত দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ ধারা ৭(২) এ প্রদান করা হয়েছে:
(ক) গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সম্পদের হিসাব বিবরণী ও জীবনবৃত্তান্তসহ বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত এবং মনোনয়ন আহ্বান করিবে, এবং ইহা ছাড়াও কমিশন উহার বিবেচনায় উপযুক্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তথ্য নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করিতে পারিবে;
(খ) কমিশন কর্তৃক নিজ উদ্যোগে সংগৃহীত তথ্যাদি এবং দাখিলকৃত দরখাস্ত ও মনোনয়নসমূহ ধারা ৮ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধানাবলির আলোকে যাচাই-বাছাই করিবে;
(গ) উক্তরূপ যাচাই-বাছাইপূর্বক কমিটির বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করিবে;
(ঘ) দফা (গ) এ উল্লিখিত সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করিবে, সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রয়োজনে বাছাই কমিটি অনধিক ২ (দুই) জন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করিতে পারিবে, তবে উক্ত বিশেষজ্ঞগণ উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করিবেন না;
(ঙ) উপরিউক্ত কার্যধারা সমাপ্তির পর বাছাই কমিটি কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ২ (দুই) জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ আকারে প্রেরণ করিবে।
তথ্যাবলী