অতি উচ্চমাত্রার দুর্নীতি বা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দুর্নীতি, বিশেষত অর্থ পাচার, তদন্তের ক্ষেত্রে দুদক কর্তৃক প্রতিটি অভিযোগের জন্য দুদকের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এজেন্সির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। View Details
সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে NBR, CID, BFIU, Directorate of Registration সহ যে সকল এজেন্সির সহযোগিতা প্রতিনিয়ত দুদকের প্রয়োজন হয়, সে সব এজেন্সিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের আদেশে দুদককে সহযোগিতার জন্য ফোকাল পারসন নির্দিষ্ট করতে হবে। View Details
দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের ক্ষেত্রে Plea bargaining ব্যবস্থার সম্ভাব্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক ফলাফল নিবিড় পর্যালোচনা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত-গ্রহণ করতে হবে। View Details
বর্তমানে দুদকের কার্যালয় রয়েছে এমন প্রতিটি জেলায় অবিলম্বে স্পেশাল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পরবর্তীকালে কোনো জেলায় দুদকের কার্যালয় স্থাপন করা হলে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই জেলায় স্পেশাল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে হবে। View Details
দুদক কর্তৃক একটি Prosecution Policy প্রণয়ন করতে হবে। এর মাধ্যমে অপরাধের মাত্রা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় তফসিলভুক্ত অপরাধসমূহ কোন কোন ক্ষেত্রে দুদক কর্তৃক তদন্তযোগ্য হবে, তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে এবং অপরাপর ক্ষেত্রে দুদক অভিযোগসমূহ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করবে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ সংশোধনপূর্বক পুলিশকে কমিশন কর্তৃক প্রেরিত অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করতে হবে। View Details
দুদকের তফসিলভুক্ত প্রতিটি অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্ত-পূর্ব আবশ্যিক অনুসন্ধানের ব্যবস্থা বাতিল করে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • লিখিতভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য (information) প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা দায়েরপূর্বক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে হবে; • অপরাধ সংঘটনের ব্যাপারে কোনো বার্তা (message) প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কিংবা অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য লিখিতভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে প্রাপ্ত না হলে, উক্ত তথ্য বা বার্তার পুরুত্ব বিবেচনায় দুদক গোপন অনুসন্ধান (undercover inquiry) পরিচালনা করতে পারবে। View Details
যাচাই-বাছাই কমিটি (যাবাক)-এর অধিকতর স্বচ্ছতার স্বার্থে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৫(৪) প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়মিত বিরতিতে (সম্ভব হলে, প্রতি মাসে ন্যূনতম দুই বার) যাবাকসমূহ পুনর্গঠন করা এবং একই ব্যক্তি যেন একাদিক্রমে দীর্ঘসময় যাবাকে দায়িত্ব পালন না করেন তা নিশ্চিত করা; এবং • যাবাকের তিন সদস্যের মধ্যে একের অধিক প্রেষণে নিযুক্ত কর্মকর্তা না রাখা। View Details
সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দুদকে অভিযোগ দায়ের করলে, যত দ্রুত সম্ভব দুদক অভিযোগকারীকে অভিযোগের ওপর গৃহীত ব্যবস্থা (অনুসন্ধান/তদন্ত/নিষ্পত্তি), কারণসহ, লিখিতভাবে অবহিত করবে মর্মে আইনি বিধান করতে হবে। View Details
দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানো ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • দুদকের জেলা বা বিভাগীয় কার্যালয়ের যাবাক কর্তৃক প্রদত্ত সুপারিশ পুনরায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের যাবাক কর্তৃক যাচাই-বাছাই না করা; • দুদক কর্তৃক নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচের অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে জেলা বা বিভাগীয় কার্যালয়কে অভিযোগ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া। View Details