প্রস্তাবিত “বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটি সাত সদস্যের সমন্বয়ে গঠন করতে হবে। তারা হলেন-(১) প্রধান বিচারপতি ব্যতিরেকে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি [পদাধিকারবলে এই কমিটির চেয়ারম্যান) (২) সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি (৩) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (৪) সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান (৫) জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি (৬) জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি এবং (৭) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসনের কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বাংলাদেশের একজন নাগরিক।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
দুর্নীতি দমন দুর্নীতি দমন
উপ-ডোমেইন
প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন রিপোর্টে বর্ণিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 02-May-26
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আইনগত কার্যকারিতা হারায়, কারণ এটি ১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়নি। কমিটির নাম “বাছাই কমিটি” হিসেবেই অপরিবর্তিত ছিল; তবে সদস্যদের গঠন ও যোগ্যতার মানদণ্ড দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছিল।
মতামত
    তিনজন সদস্য, যারা বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিশেষ সংসদীয় কমিটির সদস্য, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান, এবং জি এম নজরুল ইসলাম, দুদক অধ্যাদেশ, সংক্রান্ত সুপারিশের বিষয়ে ভিন্নমত (note of dissent) প্রদান করেছেন। তাদের ভিন্নমতে তারা অধ্যাদেশটির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং কোনো সংশোধন ছাড়া এটিকে বিল হিসেবে পাস করার দাবি জানিয়েছেন। এই প্রস্তাবটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের শক্তিশালী সমর্থন ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন হবে।

    নিম্নোক্ত সংশোধনী অনুযায়ী দুদক অধ্যাদেশ, ২০২৫:
    ধারা ৭(১), দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠিত বাছাই কমিটি নিম্নোক্ত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা—(ক) আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারক, যিনি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করিবেন;
    (খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক;
    (গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক;
    (ঘ) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান;
    (ঙ) স্পিকার কর্তৃক মনোনীত সংসদের দুইজন সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন; এবং
    (চ) সুশাসন, দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম বা দুর্নীতি সংক্রান্ত বিচার পরিচালনায় ন্যূনতম পনেরো বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বাংলাদেশের একজন নাগরিক, যিনি কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত হইবেন।
    উক্ত ধারায় আরও বলা হইয়াছে যে, জাতীয় সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় কমিটি গঠনের প্রয়োজন হইলে, উপ-ধারা (ঙ)-তে উল্লিখিত সদস্য ব্যতীতও বাছাই কমিটি গঠন করা যাইবে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...