প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের যেসব বিধান নিয়ে সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের উদ্বেগ রয়েছে, তা নিরসন করতে হবে।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
গণমাধ্যম গণমাধ্যম
উপ-ডোমেইন
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Jan-26
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন রিপোর্টে উল্লিখিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25
১ ডিসেম্বর ২০২৪ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ওয়েবসাইটে নতুন অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করে মতামত চাওয়া হয়েছিল। এরপর, ২৪ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়া অনুমোদন হয়। সমালোচনার মুখে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে আবারও কিছু সংশোধনী আনে। সর্বশেষ ৬ মে ২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের অনুমোদন দেয়।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 08-Apr-26
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর অধীনে কিছু বিতর্কিত বিধান বাতিল করা হয়েছে। ফলে, কেবলমাত্র ঐ বাতিলকৃত বিধানের অধীনে দায়ের করা সকল মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়েছে। অধ্যাদেশটি ১৩তম সংসদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মতামত
    সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫, পূর্ববর্তী ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামোর দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগের আংশিক সমাধান হিসেবে প্রণীত হয়েছে। এই অধ্যাদেশের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত সমালোচনা অথবা প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা নয়টি বিতর্কিত ধারা বাতিল করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, শুধুমাত্র এসব বাতিল ধারা অনুযায়ী দায়ের হওয়া সমস্ত মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়েছে।

    অভিযোগগুলো আদালতের মাধ্যমে দায়ের করার বাধ্যবাধকতা রেখে পদ্ধতিগত সুরক্ষা কবচ প্রবর্তন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিচারকদের প্রাথমিক পর্যায়েই ভিত্তিহীন বা তুচ্ছ মামলাগুলো খারিজ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

    কন্টেন্ট অপসারণের জন্য আদালতের পূর্ব অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে এবং যেখানে অপসারণের আদেশ অযৌক্তিক বলে প্রমাণিত হবে সেখানে পুনর্বহাল বাধ্যতামূলক করে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা জোরদার করা হয়েছে।

    এছাড়াও, "ধর্মীয় বিদ্বেষ" এর একটি স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে অপব্যবহারের সুযোগ হ্রাস করা হয়েছে, যা এর ইচ্ছামত ব্যাখ্যার সুযোগকে সীমিত করে।

    সামগ্রিকভাবে, এই পরিবর্তনগুলো আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়রানির ঝুঁকি হ্রাস করেছে এবং জবাবদিহিতাকে শক্তিশালী করেছে, যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য তুলনামূলকভাবে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে অবদান রেখেছে।

    এই প্রস্তাবনাটি বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহারে এই সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারে।

    সরকারি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে আইনটি পর্যালোচনার অঙ্গীকার করা হয়েছে। সরকার আইনটি সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষিত যাতে রাখে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আরেকটি আলোচনা শুরু করতে পারে।
Your Reviews
আপডেট থাকুন

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...