বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিশুশ্রম, কিশোর শ্রম এবং জোরপূর্বক শ্রম
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
শ্রম সংস্কার কমিশন রিপোর্ট
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 02-May-26
এই প্রস্তাবের আলোকে বাংলাদেশ শ্রম সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ বেশ কয়েকটি আইনি সংশোধন আনা হয়েছিল। কিছু মূল পরিবর্তন অধ্যাদেশে প্রতিফলিত হয়েছে। ILO ন্যূনতম বয়স কনভেনশন অনুযায়ী, আইনে কাজে প্রবেশের বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। জোরপূর্বক শ্রমের বিধানও অনুমোদিত ILO কনভেনশনসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিশুশ্রম-সংক্রান্ত শাস্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে, এবং জোরপূর্বক শ্রমের বিধান আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বিধানটি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ আরও বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ ধারা ২(১২ক)-এ জোরপূর্বক বা বাধ্যতামূলক শ্রমের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে, এবং ধারা ৩৪৫গ-এ কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা বা এ ধরনের নিয়োগে সহায়তা করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, শিশুশ্রম-সংক্রান্ত শাস্তিও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মতামত
-
এই সংস্কার প্রস্তাবের চেতনায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং। এর জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং নির্বাহী বিভাগের কঠোর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, শ্রম পরিদর্শকদের চেকলিস্টে জোরপূর্বক শ্রমের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে শ্রম পরিদর্শকরা শুধুমাত্র কিছু নির্বাচিত আনুষ্ঠানিক খাতে সক্রিয় রয়েছে। সহায়ক নীতি হিসেবে পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম এরূপ কর্মসংস্থান ও মজুরি নিশ্চিত করা উচিত, যাতে শিশুশ্রমের আশ্রয় নিতে না হয়।
তথ্যাবলী