মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের (সমমানের মাদ্রাসাসহ) গণমাধ্যম সাক্ষরতা সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য শ্রেণিকক্ষে নানা ধরনের ওয়ার্কশপ, সেমিনার এবং সেশনের আয়োজন করা যেতে পারে। গণমাধ্যম সাক্ষরতা বিষয়ের গবেষক ও চিন্তকদের এসব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান/এনজিও এবং একাডেমিয়ার মিলিত উদ্যোগে এ কার্যক্রম নেওয়া যেতে পারে। View Details
যেহেতু আধেয় (কন্টেন্ট) তৈরির ক্ষেত্রে সব ধরনের গণমাধ্যম এখন মাল্টিমিডিয়ানির্ভর হয়ে পড়ছে, সেহেতু গণমাধ্যমের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠান দুটিকে একীভ‚ত করা সমীচীন মনে করেছে সংস্কার কমিশন। একীভ‚ত করা হলে তা একটি শক্তিশালী জাতীয় গণমাধ্যম প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান/ইনস্টিটিউটে রূপান্তরিত হবে। View Details
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সব সাংবাদিকের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তাসামগ্রী ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবে। পেশাগত কারণে যেকোনো মামলা-মোকদ্দমা নিরসনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের আইনি সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে হবে। View Details
কোনো গণমাধ্যম নিয়োগপত্র ও ছবিসহ পরিচয়পত্র ছাড়া এবং বিনা বেতনে কোনো সাংবাদিককে অস্থায়ী, স্থায়ী কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করতে পারবে না। View Details
গত ১০ বছর পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের হার বাড়েনি। হার বা রেট বৃদ্ধি করতে হবে এবং বাজারের মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিজ্ঞাপনের হার বার্ষিক ভিত্তিতে বাড়ানো উচিত। বিজ্ঞাপনের মূল্যহার নির্ধারণে যে আলাদা শ্রেণিকরণ আছে, তা পর্যালোচনা প্রয়োজন এবং আনুপাতিক হারে তার সামঞ্জস্যকরণ সমীচীন। View Details
অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ ৫ ধারা সংশোধন করে কেবল জাতীয় নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া উচিত এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য জনস্বার্থের প্রশ্নে আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা সংযোজন করা উচিত। View Details
(ক) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বা অনিয়ম আইনের আওতায় আনার জন্য প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। (খ) সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনপূর্বক সরকারি কর্মকর্তা—কর্মচারীগণের বিরুদ্ধে মামলা করতে কমিশনের অনুমতির বিধান বহাল রেখে তদন্ত বা অনুসন্ধান করতে আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা। (গ) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯০ ধারায় ৭৩ ও ৭৪ ধারার অধীনে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমা শিথিল করা। (ঘ) নির্বাচনি অপরাধ বিষয়ক মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা পরিহারের লক্ষ্যে নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা। ফলে একদিকে যেমন দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করা যাবে, অন্যদিকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। View Details
(ক) সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের যত দ্রুত সম্ভব ভোটার তালিকায় এবং এনআইডি সার্ভারে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা। নিবন্ধনের সময় তাঁদের বায়োমেট্রিকস তথ্য এবং সাম্প্রতিক ছবি যেন হালনাগাদ করা থাকে এটা নিশ্চিত করা। বর্তমানে প্রচলিত প্রক্রিয়াতে প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে যেহেতু অনেক সময় লাগে, এটি আরও অপটিমাইজ করে পুরো প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য কার্যকর কৌশল বের করা। যেহেতু সকল বাংলাদেশি প্রবাসীর পাসপোর্ট রয়েছে, তাই পাসপোর্ট ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুততর সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা। (খ) ডিসেম্বর ২০২৫—এ আগামী জাতীয় নির্বাচন হবার সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে যেসকল প্রবাসীর ভোটার তালিকায় এবং এনআইডি সার্ভারে নিবন্ধন করা সম্ভব হবে, তাদেরকে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে প্রস্তাবিত পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। View Details
জাতীয় নির্বাচনে কোনো আসনে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান করা। View Details