(ক) প্রবাসীদের জন্য একটি তথ্য—প্রযুক্তির সহায়তাসূচক পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা, যার মাধ্যমে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। (আমরা নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে এই লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত দুটি সমাধান প্রস্তাব করছি। প্রবাসীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ হবে দুটি সমাধানের মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা।) (খ) প্রস্তাবিত তথ্য—প্রযুক্তির সহায়তাসূচক পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বাস্তবায়নকল্পে দুটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন – ভোটার অ্যাপ এবং ভেরিফায়ার অ্যাপ – যথাযথ ফাংশনালিটিসহ ডেভেলপ করা। এক্সেসেবিলিটি বাড়ানোর জন্য এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মের জন্য ডেভেলপ করা। এছাড়াও প্রস্তাবিত পদ্ধতির জন্য একটি ব্যাকএন্ড সিস্টেম ডেভেলপ করা। (গ) ডেভেলপকৃত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলো এবং সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা, যাতে তথ্য সিকিউরলি আদান—প্রদান এবং ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা করা যায়। এর সঙ্গে একটি এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম এবং immutable অডিট ট্রেলের মাধ্যমে ডাটাবেসের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা। (ঘ) জাতীয় নির্বাচনে প্রস্তাবিত সিস্টেমকে ব্যবহারের আগে এটির ব্যাপক পরীক্ষা/নিরীক্ষা করা। (এজন্য আমরা কমপক্ষে তিন পর্যায়ের ট্রায়ালের সুপারিশ করছি)।৮ এই তিন—পর্যায়ের ট্রায়াল প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে যেকোনো অস্বাভাবিকতা শনাক্ত এবং সংশোধন করতে সহায়তা করবে, যা জাতীয় নির্বাচনে সিস্টেমটি ব্যবহারের পথকে সুগম করবে।) (ঙ) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এক বা ততোধিক সিকিউরিটি অডিট ফার্ম দ্বারা ডেভেলপকৃত সিস্টেমটির ক্রমাগত নিরাপত্তা অডিট (Security act) করা, যা ডেভেলপকৃত সিস্টেমের ওপরে আস্থা স্থাপনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। (চ) উপরোক্ত নতুন সিস্টেম যাতে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। (ছ) প্রস্তাবিত তথ্য—প্রযুক্তির সহায়তাসূচক পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় সেই সব ভোটারদের বিবেচনা করা যারা এমন সব দেশে বসবাস করেন যেখানে বাংলাদেশের কোনো কনস্যুলেট নেই। এই দেশগুলোর জন্য কোনো কনস্যুলেট কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবে তা নির্ধারণের জন্য একটি পলিসি প্রণয়ন করা। (জ) কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের প্রবাসী ভোটারদের কাছে পোস্টাল প্যাকেজ বিতরণের লজিস্টিক সংক্রান্ত কাজ কমানোর লক্ষ্যে প্রতিটি পোস্টাল প্যাকেজ বাংলাদেশে প্রস্তুত করে কনস্যুলেটগুলোতে বিতরণ করা। কনস্যুলেটের কর্মকর্তাগণ কর্তৃক তাদের কাছে পাঠানো পোস্টাল প্যাকেজ সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্টাল সার্ভিস ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট প্রবাসী ভোটারদের কাছে বিতরণ করা। (ঝ) পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সমস্ত কার্যক্রম (নিবন্ধন থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের ট্রেজারিতে পোস্টাল ব্যালট বক্স নিরাপত্তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা পর্যন্ত) সম্পন্ন করার জন্য একটি কার্যকর সময়কাল নির্ধারণ করা। (ঞ) প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি প্রবাসী ভোটারদের মাথায় রেখে ডিজাইন করা। তবে সিস্টেমের কার্যপ্রণালিতে অল্প কিছু পরিবর্তন করে এটি দেশের অভ্যন্তরে অনুপস্থিত ভোটারদের জন্যও ব্যবহার করা। আমাদের ডাক বিভাগের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে যেহেতু সন্দেহ আছে, তাই এই ক্ষেত্রে একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে পোস্টাল প্যাকেজ পাঠানো এবং পরবর্তীতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য পোস্টাল প্যাকেজ ট্র্যাক করা যায় এরকম কোনো কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করা যেতে পারে।

Year
2025
Reform Domain
Electoral Process Electoral Process
Sub Domain
Postal Voting System for Expatriates
Source of Reform Proposals
Electoral Reform Commission
Reform Proposed
Reform Proposed
Reform Initiated
Reform Initiated
Legal and Policy Framework
Legal and Policy Framework
Operationalisation
Operationalisation
Action Implementation
Action Implementation
Stage of Implementation
Observation
    ব্যবহারকারীর নিবন্ধন এবং যাচাইকরণ সহ আইসিটি-ভিত্তিক পোস্টাল ভোটিং অ্যাপ্লিকেশনটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মের জন্য সফলভাবে চালু করা হয়েছে। তবে, এটি লক্ষণীয় যে সংস্কার প্রস্তাবের বেশ কয়েকটি উপ-সুপারিশ পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি।প্রস্তাবে সুপারিশ করা হয়েছিল যে ব্যালট প্যাকেজগুলি বাংলাদেশী কনস্যুলেটগুলিতে বৃহৎ পরিমাণে পাঠানো হবে, যা পরবর্তীতে ভোটারদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। তবে, নির্বাচন কমিশন ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি ভোটারদের কাছে প্যাকেজগুলি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।প্রস্তাবে বিশ্বস্ত ও ট্র্যাকিংযোগ্য বিতরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ডাকপ্যাকেজ বিতরণ ও ফেরত দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ব্যবহার করা হবে।নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, আবেদনপত্রের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি আইটি প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। পাশাপাশি, পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণ সেশন আয়োজন করা হয়েছে।নিবন্ধন প্রক্রিয়া ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত খোলা থাকবে। ১৪৮টি দেশের ভোটাররা, এমনকি যারা বাংলাদেশি কনস্যুলেটের আওতায় নেই, তারা বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করে অ্যাপ্লিকেশন মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবে। তাদের ঠিকানায় পোস্টাল ভোটের সরঞ্জামসহ একটি প্যাকেজ পাঠানো হবে। এই প্রক্রিয়ায় ডাক বিভাগ ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করবে।একটি ব্যালট ট্র্যাকিং সিস্টেম কার্যকর করা হবে, যা ভোটার এবং রিটার্নিং অফিস উভয়কেই প্রতিটি ব্যালটের অবস্থান মনিটর করার সুযোগ দেবে। ডাক বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্থাপন করা হয়েছে।সংশোধিত আরপিও-এর ধারা ২৭ অনুযায়ী, সরকারী কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি যারা তাদের নিবন্ধিত নির্বাচনী এলাকায় নেই, যারা বাংলাদেশে কোনো কারাগার বা আইনী হেফাজতে আটক, এবং যারা নির্বাচনী দায়িত্বে তাদের নিবন্ধিত এলাকার বাইরে থাকেন, তারা পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
Your Reviews
Stay Updated

Glossary

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...