রাষ্ট্র শ্রমখাতের সকল ক্ষেত্রে, যার মধ্যে মজুরি, ট্রেড ইউনিয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য দিক সহ সমান অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে আদিবাসী এবং বহুজাতিক শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। View Details
রাষ্ট্র একটি সম্প্রীতিপূর্ণ ও সমন্বিত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রমিক, নিয়োগকর্তা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণকে উৎসাহিত করবে এবং সংলাপের জন্য একটি কার্যকর কাঠামো ও প্রক্রিয়া গড়ে তুলবে। View Details
শ্রমিকরা যাতে ন্যায্য বিচার পেতে পারেন, সে জন্য রাষ্ট্র শ্রম আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে, মামলা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে এবং অপ্রয়োজনীয় হয়রানি রোধে পদক্ষেপ নেবে। আইনি অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এ জন্য উপযুক্ত কাঠামো গড়ে তোলা হবে। আইনগত অধিকার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত বিরোধ ও কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্র ফৌজদারি ব্যবস্থা ও বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকবে। শ্রম আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে ট্রেড ইউনিয়নের শ্রমিক বা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা যেকোনো ফৌজদারি মামলা দ্রুত পর্যালোচনা করে বাতিল করতে হবে। View Details
দায়বদ্ধ শ্রম প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি আইনগত সংস্থা হিসেবে স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠনের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অবিলম্বে একটি ‘জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম’ গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে। View Details
শ্রম মন্ত্রণালয়, এর অধিভুক্ত বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা ও সমন্বয় জোরদার করা এবং জবাবদিহিতা, গণতান্ত্রিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও তথ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে (শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র, ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস ইনস্টিটিউট—IRI, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা) প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করবে। View Details