দায়বদ্ধ শ্রম প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি আইনগত সংস্থা হিসেবে স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠনের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অবিলম্বে একটি ‘জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম’ গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
শ্রম সংস্কার শ্রম সংস্কার
উপ-ডোমেইন
শিল্প বিরোধ, নিষ্পত্তি এবং ন্যায়বিচার
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
শ্রম সংস্কার কমিশন রিপোর্ট
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 02-May-26
বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫, যা ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়, এতে একটি জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিধানটি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৩৪৮খ-এর অধীনে একটি জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম গঠনের জন্য আইনি ভিত্তি প্রদান করা হয়েছে এবং ধারা ৩৪৮গ-এর অধীনে একটি স্থায়ী বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি ভিত্তি প্রদান করা হয়েছে।
মতামত
    বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম এবং একটি স্থায়ী বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষের আইনি ভিত্তি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে; তবে আইনগত স্বীকৃতি নিজে থেকে কার্যকর ও দায়বদ্ধ শ্রম প্রশাসন নিশ্চিত করে না। এই কাঠামোগুলোর কার্যকারিতা নির্ভর করবে বিধি প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, তহবিল এবং প্রতিনিধিত্বের স্বচ্ছতার ওপর। জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরামের পরিধি ও সিদ্ধান্তের প্রভাব এবং ADR কর্তৃপক্ষের স্বাধীনতা ও বাস্তব কার্যকারিতা এখনো স্পষ্ট নয়।

    বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর নিম্নোক্ত সংশোধনী অনুযায়ী:

    "৩৪৮খ। জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম। যৌথ দরকষাকষির মাধ্যমে সামাজিক ও শ্রম সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ, সম্মিলিত চুক্তি প্রণয়ন এবং সেইগুলির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করিবার জন্য পক্ষগুলির প্রতিনিধিদের নিয়া একটি জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম গঠন করা যাইবে।"

    "৩৪৮গ। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষ।- (১) এই আইনে বা বিদ্যমান অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুক থাকুক না কেন, শ্রম-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত ও যৌথ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই আইনের আওতায় একটি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হইবে যাহা নিরপেক্ষ ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করিবে। (২) কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসাবে একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ বা শ্রম অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রম মান বিষয়ক অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা বা বেসরকারি পর্যায়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রদান করিবে। (৩) এই কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক দপ্তর স্থাপন করিবে। (৪) সালিশ পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করিবার জন্য মধ্যস্থতাকারীগণ (Conciliators) ও সালিশকারকদের প্যানেল (Panel of Arbitrators) থাকিবে। (৫) এই কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম তদারকি করিবার জন্য সরকার ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি আকারে একটি গভর্নিং বডি গঠন করিবে। (৬) গভর্নিং বডি শ্রম অধিদপ্তর (DOL) এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (DIFE) মনোনীত তালিকা হইতে মধ্যস্থতাকারীগণকে (Conciliators) নিয়োগ করিবে এবং সালিশকারকগণকে (Panel of Arbitrators) প্যানেল গঠন করিবে, মধ্যস্থতাকারীগণের (Conciliators) এবং সালিশকারকগণের (Panel of Arbitrators) যোগ্যতা ও দক্ষতা সংক্রান্ত বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারণ করা হইবে। (৭) গভর্নিং বডির সদস্য মনোনয়নের মানদণ্ড ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে এবং গভর্নিং বডি গঠনের বিষয়টি সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হইবে।"
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...