Search Reforms

প্রস্তাবিত সংস্কার প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮(১) এইরূপভাবে প্রতিস্থাপন করতে হবে- “আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে, শৃঙ্খলা বাহিনীতে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে, হিসাব ও নিরীক্ষা পেশায় বা সুশাসন কিংবা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে নিয়োজিত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ১৫ (পনের) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।

Year: 2025
Domain: অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা দুর্নীতি দমন
Stage: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25

UNCAC এর অনুচ্ছেদ ২১ অনুসারে বেসরকারি খাতের ঘুষ লেনদেনকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

Year: 2025
Domain: দুর্নীতি দমন নিয়োগের মানদণ্ড
Stage: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25

সেবা প্রদানকারী সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিশেষত, থানা, রেজিস্ট্রি অফিস, রাজস্ব অফিস, পাসপোর্ট অফিস এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সকল সেবা-পরিষেবা খাতের সেবা কার্যক্রম ও তথ্য-ব্যবস্থাপনা এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশনের আওতায় আনতে হবে।

Year: 2025
Domain: দুর্নীতি দমন প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধান
Stage: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25

নির্বাচনী আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ নিশ্চিত করতে হবে- • রাজনৈতিক দলসমূহ ও নির্বাচনের প্রার্থীগণ অর্থায়ন এবং আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত করবে; • জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও দুদকের সহায়তায় নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থীগণ কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের পর্যাপ্ততা ও যথার্থতা যাচাইপূর্বক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে; • সকল পর্যায়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে ও পরবর্তীতে প্রতি বছর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের আয় ও সম্পদ বিবরণী নির্বাচন কমিশনে জমা দেবেন এবং নির্বাচন কমিশন উক্ত বিবরণীসমূহ কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবেন; এবং • রাজনৈতিক দলসমূহ দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে দলীয় পদ বা নির্বাচনে মনোনয়ন দেবেন না।

Year: 2025
Domain: ডিজিটাল রূপান্তর দুর্নীতি দমন
Stage: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25

ফৌজদারি মানহানির সব আইন, যেমন: ১৮৬০ সালের বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০, ৫০১ এবং ৫০২ ধারা এবং ২০২৩ সালের সাইবার সুরক্ষা আইনের ২৯ ধারা বাতিল করা উচিত। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের মানহানি সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনের ওপর প্রদান করার ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৯৯ক এবং ৯৯খ ধারায় সরকারকে সংবাদপত্র বাজেয়াপ্ত করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) পরিপন্থি। অতএব তা বাতিল করা উচিত।

Year: 2025
Domain: গণমাধ্যম সাংবাদিকতার স্বাধীনতা
Status: প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন বিশ্বের উত্তম চর্চার কয়েকটি দৃষ্টান্তের আলোকে সাংবাদিকতা সুরক্ষা আইনের একটি খসড়া অধ্যাদেশ আকারে এই রিপোর্ট সংযুক্ত করেছে এবং দ্রুতই এটি জারি করার ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করছে। এছাড়াও গত ১৫ বছরে বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগের ঘটনাগুলো সম্পর্কে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ সমীচীন বলে মনে করছে: ক. দন্ডবিধি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সাইবার সুরক্ষা আইন এবং আদালত অবমাননা আইনসহ প্রযোজ্য বিভিন্ন আইনের অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো চিহ্নিত ও পর্যালোচনা করতে হবে। পর্যালোচনার পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কৌঁসুলি কর্তৃক মামলা প্রত্যাহার অথবা পুলিশ কর্তৃক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। খ. পর্যালোচনা সাপেক্ষে মিথ্যা মামলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ও ন্যায়সংগত পদক্ষেপ নিতে হবে। গ. ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। ঘ. ক্ষতিগ্রস্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ঙ. সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও জীবনে বেআইনি অনুপ্রবেশ, নজরদারি ও আড়িপাতার ঘটনাগুলো তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

Year: 2025
Domain: গণমাধ্যম সাংবাদিক সুরক্ষা আইন
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25

সব ধরনের গণমাধ্যমকে একই তদারকি বা নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে প্রেস কাউন্সিল ও প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশনের পরিবর্তে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আয় থেকে নির্ধারিত হারে চাঁদা নির্ধারণের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ের সংস্থান করতে পারে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন যেসব দায়িত্ব পালন করবে তার মধ্য আছে: ক. প্রকাশক ও সম্পাদকের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ যাতে ফৌজদারি অপরাধে দন্ডিত এবং ঋণখেলাপিরা গণমাধ্যমে মালিক/সম্পাদক না হতে পারে। খ. সাংবাদিকতার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ গ. সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা গণমাধ্যম কমিশনে নিবন্ধিত হবেন এবং কমিশন তাদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করবে। ঘ. সাংবাদিকদের জন্য একটি আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করবে ও তার প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। ঙ. সম্প্রচার মাধ্যম (টিভি ও রেডিও) এবং অনলাইন পোর্টালের লাইসেন্স প্রদানের সুপারিশ ও তার শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। চ. ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর অভিযোগের প্রতিকার। এটি সম্ভব হলে সংবাদমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং গণমাধ্যম মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে।

Year: 2025
Domain: গণমাধ্যম বাংলাদেশ গনমাধ্যম কমিশন
Status: প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25
আপডেট থাকুন

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...