(ক) সংসদীয় আসনের ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে নির্বাচনি ব্যয় নির্ধারণের বিধান করা। (খ) সকল নির্বাচনি ব্যয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা বা আর্থিক প্রযুক্তির (যেমন, বিকাশ, রকেট) মাধ্যমে পরিচালনা করা। (গ) নির্বাচনি ব্যয়ের অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এক বা একাধিক নির্বাচনি আসনের জন্য ‘নির্বাচনি ব্যয় মনিটরিং কমিটি’ গঠন এবং নির্বাচনি ব্যয় নিবিড়ভাবে নজরদারি করা। (ঘ) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রার্থী এবং দলের নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্নের নিরীক্ষা করা এবং হিসাবে অসঙ্গতির জন্য নির্বাচন বাতিলের বিধান করা। (ঙ) নির্বাচন কমিশনের সকল নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যয় প্রজাতন্ত্রের সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায়যুক্ত করা। View Details
(ক) নিশ্চল (stationary) পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেওয়া, যাতে পর্যবেক্ষকরা সারাদিন কেন্দ্রে থাকতে পারে, কিন্তু ভোটকক্ষে সার্বক্ষণিকভাবে নয়। (খ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে প্রাক্—নির্বাচনকালীন পর্যবেক্ষণের অফিসিয়াল অনুমতি প্রদান করা। (গ) পক্ষপাতদুষ্ট ভুয়া পর্যবেক্ষক নিয়োগ বন্ধ করা। (ঘ) ব্যক্তি পর্যায়ে পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিধান চালু করা। (ঙ) পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ভবিষ্যতে নির্বাচন ভালো করার জন্য কাজে লাগানোর বিধান করা। (চ) আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষক সংস্থার জন্য সুস্পষ্ট করা। সরকারের পরিবর্তে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা। (ছ) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকদেরকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ, অনিয়মের চিত্র ধারণ, নির্বাচনের দিনে মোটর সাইকেল ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করা। View Details
নির্বাচনি তফসিলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় বৃদ্ধি করা, যাতে হলফনামা যাচাই—বাছাই করা ও আপিল নিষ্পত্তির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়। অন্যদিকে নির্বাচনি প্রচারণার সময় কমানো, যাতে প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ে সাশ্রয় হয়। View Details
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সকল নাগরিককে হালনাগাদ ছবিযুক্ত এনআইডি স্মার্টকার্ড প্রদানের লক্ষ্যে এখনই প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা, যাতে ভবিষ্যতে ভোটার শনাক্তকরণে এটি ব্যবহার করা যায়। View Details