(ক) সংসদীয় আসনের ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে নির্বাচনি ব্যয় নির্ধারণের বিধান করা। (খ) সকল নির্বাচনি ব্যয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা বা আর্থিক প্রযুক্তির (যেমন, বিকাশ, রকেট) মাধ্যমে পরিচালনা করা। (গ) নির্বাচনি ব্যয়ের অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এক বা একাধিক নির্বাচনি আসনের জন্য ‘নির্বাচনি ব্যয় মনিটরিং কমিটি’ গঠন এবং নির্বাচনি ব্যয় নিবিড়ভাবে নজরদারি করা। (ঘ) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রার্থী এবং দলের নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্নের নিরীক্ষা করা এবং হিসাবে অসঙ্গতির জন্য নির্বাচন বাতিলের বিধান করা। (ঙ) নির্বাচন কমিশনের সকল নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যয় প্রজাতন্ত্রের সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায়যুক্ত করা।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া
উপ-ডোমেইন
নির্বাচনী খরচ
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নির্বাচন সংস্কার কমিশন রিপোর্ট
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু করা হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25
নির্বাচন কমিশন নতুন প্রচারণা ব্যয়ের সীমা ঘোষণা করবে এবং পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করবে।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 14-Dec-25
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত সংশোধিত আরপিও গেজেট অনুসারে নির্বাচন কমিশনকে ডিজিটাল লেনদেন বাধ্যতামূলক করা, বার্ষিক অডিট পরিচালনা করা এবং ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
Last Update: 02-May-26
সংশোধিত আরপিও গেজেট অনুযায়ী, যেখানে ব্যয়সীমা নির্ধারণ এবং নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, প্রার্থীদের গেজেট প্রকাশের (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ৩০ দিনের মধ্যে তাদের ব্যয়ের বিবরণ জমা দেওয়ার কথা ছিল। নির্বাচন কমিশন ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রার্থীদের ১৫ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে তাদের বিবরণ জমা দিতে নির্দেশ দেয়। ২০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম এবং নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত পরবর্তী এক মাসের সময়সীমা বৃদ্ধি সত্ত্বেও, ৯২ জন প্রার্থী এখনো তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণ জমা দেননি, যেখানে বাকি প্রার্থীরা তা জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন এখনো পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
মতামত
    আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪খ অনুযায়ী, প্রতিযোগী প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় ভোটারের প্রতি ১০ টাকা বা সর্বমোট ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যে বেশি হবে, তা অতিক্রম করতে পারবে না। অনুচ্ছেদ ৪৪খখ অনুযায়ী, প্রার্থীদের একটি নির্ধারিত ব্যাংকে পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলার এবং সমস্ত নির্বাচনী সংক্রান্ত অর্থ সেই অ্যাকাউন্ট থেকে প্রদান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে, নির্বাচন কমিশনের এই বিধান কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করার সক্ষমতা সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে।আরপিওর ৪৪খ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় প্রতি ভোটার ১০ টাকা অথবা মোট ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যেটি বেশি, তা অতিক্রম করতে পারবে না। ৪৪খখ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীদের একটি নির্ধারিত ব্যাংকে পৃথক হিসাব খুলতে হবে এবং সমস্ত নির্বাচনী ব্যয় সেই হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
    তবে, নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত পরবর্তী সময়সীমা বৃদ্ধি সত্ত্বেও এখনো ৯২ জন প্রার্থী তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণ জমা দেননি, যা নির্দেশ করে যে নিয়ম অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। নিয়ম না মানার ক্ষেত্রে আইনে শাস্তির বিধান থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন বিলম্বিত বা অনুপস্থিত জমাদানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা বা কার্যকর করেনি। এতে নির্বাচন কমিশনের অনুবর্তিতা কার্যকরভাবে তদারকি করা এবং নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...