নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো রাজনৈতিক দল সংক্ষুব্ধ হলে সেই দলের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল বা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অভিযোগ করার সুযোগ সৃষ্টির বিধান করা। কমিশন/আদালত কর্তৃক সর্বোচ্চ ৭ কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করার বিধান করা।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া
উপ-ডোমেইন
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
Electoral Reform Commission
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 02-May-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু করা হয়নি।
মতামত
    নির্বাচন কমিশন ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে। তবে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো পৃথক ঘোষণাপত্র প্রদান করেনি, যেমনটি এই সংস্কার প্রস্তাবে কল্পনা করা হয়েছিল।
    গেজেট প্রকাশের পর বিদ্যমান আইনি কাঠামোর অধীনে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আদালতকেন্দ্রিক প্রতিকার গ্রহণ শুরু করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৪১ জন পরাজিত প্রার্থী (বিএনপি ২৫, জামায়াত ১৩, জোটভুক্ত অন্যান্য দল ২ এবং ১ জন স্বতন্ত্র) নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে রিট দায়ের করেছেন। প্রাথমিক শুনানির পর আদালত সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার, ফলাফল শিট ও সিসিটিভি ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি উপকরণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
    আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়েরের সুযোগ থাকায় নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এসব আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে নোটিস জারি করা হয়েছে, এবং এপ্রিল ২০২৬ (১৯ এপ্রিলের পর) থেকে ধাপে ধাপে মূল শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে; কিছু ক্ষেত্রে মে ও জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
    এতে প্রতীয়মান হয় যে, প্রস্তাবিত সংস্কারের পরিবর্তে গেজেট-পরবর্তী বিরোধ নিষ্পত্তি বর্তমানে বিদ্যমান ট্রাইব্যুনাল ও আদালতভিত্তিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...