সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬(২)(ঘ) এর অধীনে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে বিচারিক আদালতে কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হওয়ার শুরু থেকেই সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া
উপ-ডোমেইন
প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
Electoral Reform Commission
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু করা হয়নি।
মতামত
    বর্তমান আরপিওর ১২(১)(ঘ) ধারাটি অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছর না পেরোনো পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। বর্তমান বিধান অনুযায়ী, দণ্ডাদেশ চূড়ান্তভাবে বহাল না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি অযোগ্য বলে গণ্য হন না। এছাড়া এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত প্রার্থীরা উচ্চ আদালতে আপিল করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ২০২৪ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন এবং চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে না হয়—সে লক্ষ্যেই এই সংস্কারটি প্রয়োজন।
Your Reviews
আপডেট থাকুন

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...